”রাঙামাটি” কোন সমাস?
-
ক
বহুব্রিীহি
-
খ
নিত্য
-
গ
কর্মধারয়
-
ঘ
অব্য়য়ীভাব
"রাঙামাটি" শব্দটি কর্মধারয় সমাস।
এটি বিশেষণ ও বিশেষ্যের মধ্যে সম্পর্ক বোঝায়। "রাঙা" অর্থে লাল, এবং "মাটি" অর্থে মাটি।
কর্মধারয়:
রাঙ্গামাটি=রাঙ্গা যে মাটি
লালটুপি=লাল যে টুপি
সজ্জন=সৎ যে জন
অর্ধপথ=অর্ধ যে পথ
/=পথের অর্ধ=ষষ্ঠী তৎপুরুষ
উড়োজাহাজ=উড়ো যে জাহাজ
কাপুরুষ=কু যে পুরুষ
কদাচার=কু যে আচার
কাচকলা=কাচা যে কলা
চালভাজা=ভাজা যে চাল
/=চালকে ভাজা=দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
বেগুনভাজা=ভাজা যে বেগুন
/=বেগুনকে ভাজা=দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
ক্রীতদাস=ক্রীত যে দাস
নীলপদ্ম=নীল যে পদ্ম
"রাঙামাটি" শব্দটি কর্মধারয় সমাস।
এটি বিশেষণ ও বিশেষ্যের মধ্যে সম্পর্ক বোঝায়। "রাঙা" অর্থে লাল, এবং "মাটি" অর্থে মাটি।
কর্মধারয়:
রাঙ্গামাটি=রাঙ্গা যে মাটি
লালটুপি=লাল যে টুপি
সজ্জন=সৎ যে জন
অর্ধপথ=অর্ধ যে পথ
/=পথের অর্ধ=ষষ্ঠী তৎপুরুষ
উড়োজাহাজ=উড়ো যে জাহাজ
কাপুরুষ=কু যে পুরুষ
কদাচার=কু যে আচার
কাচকলা=কাচা যে কলা
চালভাজা=ভাজা যে চাল
/=চালকে ভাজা=দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
বেগুনভাজা=ভাজা যে বেগুন
/=বেগুনকে ভাজা=দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
ক্রীতদাস=ক্রীত যে দাস
নীলপদ্ম=নীল যে পদ্ম
সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।
সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।
সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।
সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -
সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।
[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]
Related Question
View All'ভোটাধিকার' কোন সমাস?
-
ক
বহুব্রীহি
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
অব্যয়ীভাব
'ভোটাধিকার' কোন সমাস?
-
ক
বহুব্রীহি
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
অব্যয়ীভাব
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
-
ক
কানে-খাটো
-
খ
নরপশু
-
গ
ঘরমুখো
-
ঘ
তেপায়া
'পলান্ন' একটি-
-
ক
সমাস সাধিত শব্দ
-
খ
উপসর্গ সাধিত শব্দ
-
গ
বচন সাধিত শব্দ
-
ঘ
সন্ধি সাধিত শব্দ
পুষ্পসৌরভ' কোন সমাসের উদাহরণ ?
-
ক
দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
-
খ
অলুক দ্বন্দ্ব
-
গ
ষষ্ঠী তৎপুরুষ
-
ঘ
পঞ্চমী তৎপুরুষ
'পাপমুক্ত' কোন সমাস ?
-
ক
কর্মধারয়
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
অব্যয়ীভাব
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!